• ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PK

দেশ

এনডিএর পুরনো অস্ত্র ‘লালুর ভয়’— এবার ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের প্লে-অফের রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাজিমাত পাঞ্জাব কিংস। বিরাট কোহলিদের ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে ভেসে রইল মায়াঙ্ক আগরওয়ালরা। যদিও সম্ভাবনা অনেকটাই কম। অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারায় প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। পাঞ্জাবের ২০৯/৯ রানের জবাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ২০ ওভারে তুলল ১৫৫/৯। মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে বড় রানের লক্ষ্য রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। বড় রান তাড়া করতে গেলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলাটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেননি বিরাট কোহলি, ফাফ ডুপ্লেসিরা। যদিও এদিন ভাল শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। শুরুর দিকে তাঁকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। দ্বিতীয় ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে দুদুটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন। পরের ওভারে হরপ্রীত ব্রার বলে একটি ছক্কাও হাঁকিয়েছিলেন কোহলি। মনে হচ্ছিল হয়তো এদিন বড় রানের দিকে এগিয়ে যাবেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন। কাগিসো রাবাডাকে আক্রমণে নিয়ে এসে বাজিমাত করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই রাবাডা তুলে নেন কোহলিকে। ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন কোহলি। পরের ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসি (১০) ও মহীপাল লোমরোরকে (৬) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ঋষি ধাওয়ান। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন রজত পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৬৪। একাদশ ওভারের শেষ বলে রজত পতিদারকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাহুল চাহার। পরের ওভারেই ম্যাক্সওয়েলকে (৩৫) ফেরান হরপ্রীত ব্রার। ম্যাক্সওয়েল আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। দীনেশ কার্তিক (১১), শাহবাজ আমেদ (৯), হর্ষল প্যাটেলরা (১১) দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ঋষি ধাওয়ান ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।এদিন দুরন্ত ব্যাটিং করে পাঞ্জাব কিংসকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। বেয়ারস্টো ২৯ বলে করেন ৬৬ রান। তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯), হরপ্রীত ব্রাররা (৭) ব্যর্থ হলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ২০ ওভারে ২০৯/৯ তোলে পাঞ্জাব। আইপিএলে এটাই তাদের সর্বোচ্চ রান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস

প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতলে ইডেনে প্লে অফের টিকিট কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। অন্যদিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জিতলে আশা বেঁচে থাকবে পাঞ্জাব কিংসের। ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলল ২০৯ রান। দুরন্ত ব্যাটিং করলেন লিয়াম বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন।পাঞ্জাব কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা ধারাবাহিকতার অভাব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরলেন ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের ভিত গড়ে দেয়। বেয়ারস্টো রান পেলেই পাঞ্জাব বড় রানে পৌঁছবে, এটাই ধ্রুব সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ফর্ম। চলতি আইপিএলে একেবারেই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। এদিনও ব্যর্থ।টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ক্রিজে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। ৫ ওভারেই উঠে যায় ৬০। জস হ্যাজেলউড, মহম্মদ সিরাজের ওপর বেশি নির্দয় ছিলেন জনি বেয়ারস্টো। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে শিখর ধাওয়ানকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন ধাওয়ান। ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে স্বদেশীয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।১ ওভারের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারালেও ঝড় অব্যাহত ছিল বেয়ারস্টোর। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৬ রান করে তিনি শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (১৬ বলে ১৯) তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। জিতেশ শর্মাও (৯) রান পাননি। হরপ্রীত ব্রার করেন ৭। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দলকে বড় রানের দিকে টেনে নিয়ে যান লিয়াম লিভিংস্টোন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৪২ বলে ৭০ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ভাল বোলিং করেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৫ রানে ২ উইকেট নেন তিনি।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট!‌ কামাল উমরান মালিকের

আইপিএল এত এগোচ্ছে নিজেকে ক্রমশ মেলে ধরছেন উমরান মালিক। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমাণ করেই চলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এদিন ৭ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব কিংসকে। উমরান মালিক শেষ ওভারে তুলে নেন তিনটি উইকেট। একটি রান আউটের দৌলতে শেষ ওভারে মোট চারটি উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস।উমরান মালিকের শেষ ওভারটি আবার ছিল মেডেন। আইপিএলে চতুর্থ বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন। ২০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওডিয়ান স্মিথ, চতুর্থ বলে রাহুল চাহার, পঞ্চম বলে বৈভব অরোরা আউট হন। চাহার ও অরোরা বোল্ড হন। শেষ বলে রান আউট হন অর্শদীপ সিং। উমরান মালিকের আগে আইপিএলে ২০তম ওভারে বল করতে গিয়ে মেডেন নেওয়ার নজির আছে তিনজন বোলারের। ২০০৮ সালে ইরফান পাঠানের মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে, ২০০৯ সালে ডারবানে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে লাসিথ মালিঙ্গার, ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়দেব উনাদকাটের। ম্যাচ শুরুর আগেই ধাক্কা পাঞ্জাব কিংসের। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিতে নামেন শিখর ধাওয়ান। টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না পাঞ্জাব কিংসের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিকদের বলের সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটাররা। ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে একা লড়াই করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন উমরান মালিক। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব কিংস। মাত্র ৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে ফিরে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া প্রভসিমরণ সিং মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। জনি বেয়ারস্টো করেন ১২। জিতেশ শর্মাও (১১) রান পাননি। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর শাহরুখ খানকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান লিভিংস্টোন। ২৮ বলে ২৬ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন শাহরুখ। লড়াই জারি রাখেন লিভিংস্টোন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৬০ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে তিনি আউট হন। এদিন ভুবনেশ্বর ও উমরান মালিক তছনছ করে দেয় পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৮ রানে ৪ উইকেট উমরান মালিকের। জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। শুরুর দিকে রান তোলার গতি যথেষ্ট মন্থর ছিল। ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৪। এরপরই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই উইলিয়ামসনকে (৩) তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। এরপর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২ বলে ৩৪ রান করে রাহুল চাহারের বলে আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। ২৫ বলে ৩১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তিনিও রাহুল চাহারের শিকার। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এইডেন মার্করাম (২৭ বলে অপরাজিত ৪১) ও নিকোলাস পুরান (৩০ বলে অপরাজিত ৩৫)। ১৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন রাহুল চাহার।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতের ১০ হাজারী মাইলস্টোনেও দুঃস্বপ্ন কাটল না মুম্বইয়ের

চলতি আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুঃস্বপ্ন চলছেই। টানা ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখল না। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারল ১২ রানে। দল এখনও জয় না পেলেও টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পোঁছে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোহিত শর্মার দরকার ছিল ২৫ রান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কাগিসো রাবাডার তৃতীয় বল ডিপ এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন রোহিত। ১৭ বলে ২৮ রান করেন রোহিত। এদিন ২৮ রান করায় টি২০ ক্রিকেটে তাঁর মোট রান হল ১০০০৩। বিরাট কোহলির রান ১০৪৯৯।মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম জয় পেয়েছিল চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অবশ্য এখনও জয়ের মুখ দেখল না। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো (১৩ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। ঝড় তুলেও চতুর্থ ওভারে ফিরে যান রোহিত শর্মা। পরের ওভারে ঈশান কিশানকে (৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন বৈভব আরোরা। এরপর ঝড় তোলেন বেবি এবি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ১০ ওভারে ১০৫/২ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। ওডিয়েন স্মিথের বলে ব্রেভিস ফিরতেই রানের গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করেন ব্রেভিস। ১ ওভার পরেই রান আউট হন তিলক ভার্মা। ২০ বলে তিনি করেন ৩৬। পরপর ব্রেভিস ও তিলক ভার্মা আউট হলেও পোলার্ড ও সূর্যকুমার যাদব মুম্বইয়ের জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। পোলার্ড (১১ বলে ১০) রান আউট হতেই চাপে পড়ে যায় মুম্বই। সূর্যকুমার ঝড় তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রাবাডাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ওডিয়েন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সূর্যকুমার। শেষ ওভারে উনাদকাত (৭ বলে ১২), বুমরা (০) ও টাইমল মিলসকে (০) তুলে নেন স্মিথ (৪/৩০)। মুমইয়ের ইনিংস থেমে যায় ১৮৬/৯ রানে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের প্রথম জয়ের সামনে বড় প্রাচীর তুলে দিলেন শিখর–মায়াঙ্ক

সবথেকে দুই সফল দলের কাছে এবারে আইপিএল অভিযান ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ৪টি ম্যাচেই টানা হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে বুধবার চলতি আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিতে? রোহিত শর্মাদের কাছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। জয়ের জন্য রোহিত শর্মাদের করতে হবে ১৯৯। টার্গেট কিন্তু যথেষ্ট কঠিন। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রমমদীপ সিংয়ের পরিবর্তে এদিন টাইমল মিলসে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় মুম্বই। যদিও ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি জোরে বোলার পাঞ্জাব কিংসের ওপেনারদের বিরুদ্ধে এদিন তেমন সুবিধা করতে পারেননি। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো ৎ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL Match : মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে অফের লড়াইয়ে রাখলেন হার্দিক পান্ডিয়া

পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। নাইট রাইডার্স জিতে যাওয়ায় প্লে অফে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ রোহিত ও রাহুল দুজনের দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণ ভাবে টিকে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ঘাড়ে চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তেন প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনদীপ সিং। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন মনদীপ। তাঁকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। এরপর দুবলের মধ্যে ক্রিস গেইল ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন কিয়েরণ পোলার্ড। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন গেইল। ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। নিকোলাস পুরাণকে (৩ বলে ২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে আরও চাপে ফেলে দেন যশপ্রীত বুমরা। ৭.৩ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন এইডেন মার্করাম ও দীপক হুডা। ২৯ বলে ৪২ রান করে রাহুল চাহারের বলে বোল্ড হন মার্করাম। তিনি ৬টি বাউন্ডারি মারেন। ১৫.২ ওভারে ১০৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে পাঞ্জাব কিংসের। দীপক হুডা ২৬ বলে ২৮ রান করে আউট হন। হরপ্রীত ব্রার ১৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ তোলে পাঞ্জাব কিংস। পোলার্ড ৮ রানে ২টি এবং বুমরা ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৬ রানের মাথায় আউট হন রোহিত শর্মা (৮)। তাঁকে তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। পরের বলেই ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও সৌরভ তেওয়ারি। ২৭ বলে ২৯ রান করে মহম্মদ সামির বলে আউট হন ডিকক। ইশান কিশানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন সৌরভ তেওয়ারি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৩১। এই জুটিই মুম্বইকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। ৩৭ বলে ৪৫ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন সৌরভ। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন হার্দিক পান্ডিয়া (৩০ বলে অপরাজিত ৪০) ও কিয়েরণ পোলার্ড (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : কাজে এল না অর্শদীপের দুরন্ত বোলিং, শেষ ওভারে নাটকীয় জয় রাজস্থান রয়্যালসের

আইপিএলের প্রথম পর্বে চমকে দিয়েছিলেন পাঞ্জাব কিংসের অর্শদীপ সিং। দ্বিতীয় পর্বেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। তাঁর দুরন্ত বোলিং কাজে এল না। শেষ ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে ২ রানে নাটকীয় জয় এনে দিলেন কার্তিক ত্যাগী।প্রথম সাক্ষাতে হাই স্কোরিং ম্যাচে রান তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ৪ রানে পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরেছিল রাজস্থান রয়্যালস। ফিরতি সাক্ষাতেও হার। দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লোকেশ রাহুলদের দিকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেটই ছুড়ে দেয় সঞ্জু স্যামসনের দল। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন এভিন লুইস। আইপিএলে সেই ফর্ম ধরে রেখে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। যোগ্য সঙ্গ দেন যশস্বী জয়সওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫৪। সাতটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ২১ বলে ৩৬ রান করে আউট হন লুইস। আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনকে (৪) ফেরান ঈশান পোড়েল। ৭.১ ওভারে ৬৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান রয়্যালস। ১১.৫ ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে ১৭ বলে ২৫ করে আউট হন লিয়াম লিভিংস্টোন। রাজস্থান রয়্যালসের তৃতীয় উইকেট পড়ে ১১৬ রানের মাথায়। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হরপ্রীত ব্রারের বলে যশস্বীর ক্যাচ ধরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩৬ বলে ৪৯ করেন যশস্বী।আরও পড়ুনঃ নাসাফের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক হাবাসএকসময় মনে হচ্ছিল ২০০ রানের গন্ডি টপকে যাবে রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু ডেথ ওভারে মহম্মদ সামি, অর্শদীপ সিংরা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠায় তা সম্ভব হয়নি। ১২ রানের মধ্যে চারটি উইকেট পড়ে রাজস্থান রয়্যালসের। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে শামি রিয়ান পরাগকে ব্যক্তিগত চার রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে অর্শদীপ সিংয়ের বলে এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে মহীপাল লোমরর আউট হওয়ার আগে করেন ১৭ বলে ৪৩। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও চারটি ছক্কা। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে শামি প্রথম বলে রাহুল তেওয়াটিয়া ও পঞ্চম বলে আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ক্রিস মরিসকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। তেওয়াটিয়া বোল্ড হন, মরিসের ক্যাচ ধরেন মার্করাম। চার ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়ে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ৫০তম আইপিএল উইকেট পান সামি। ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন অর্শদীপ। ২০ ওভারে ১৮৫ রানে থেমে যায় রাজস্থান।আরও পড়ুনঃ নিজেকে প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ ঋদ্ধিমানের সামনেজয়ের জন্য ১৮৬ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১২০। লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল ভিত তৈরি করে দেন। ৩৩ বলে ৪৯ রান করে চেতন সাকারিয়ার বলে আউট হন রাহুল। তিনবার জীবন পেয়ে তিনি এই রান করেন। পরের ওভারেই রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে লিভিংস্টোনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনি ৪৩ বলে করেন ৬৭। পরপর ২ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি পাঞ্জাব কিংসে। নিকোলাস পুরান ২২ বলে করেন ৩২। কার্তিক ত্যাগীর বলে তিনি সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এদিন ক্রিস গেইলের পরিবর্তে ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করামকে খেলায় পাঞ্জাব। তিনি হতাশ করেননি। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন এইডেন মার্করাম (২০ বলে অপরাজিত ২৬)। শেষ ওভারে পাঞ্জাবের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। কার্তিক ত্যাগী ১ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। ২০ ওভারে ১৮৩/৪ তোলে পাঞ্জাব।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

'দ্বন্দ্ব' মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও

দ্বন্দ্ব মেটাতে আসানসোল পুরসভার প্রধান প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে জিতেন্দ্রর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফিরহাদ। এই বৈঠকে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরও উপস্থিত থাকতে পারেন। জানা গিয়েছে, এদিন ফিরহাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয় জিতেন্দ্রর। মঙ্গলবারের বৈঠকে যোগ দিতে তিনি কলকাতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের জানুয়ারি থেকেই মিলবে ডিএ উল্লেখ্য, গোটা ঘটনার সূত্রপাত রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে পাঠানো জিতেন্দ্র তিওয়ারির এক চিঠিকে ঘিরে। সোমবার প্রকাশ্যে এসেছে সেই চিঠি। এই চিঠিতে আসানসোলের প্রধান প্রশাসক তথা দাপুটে তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য মনোনীত হয়েছিল আসানসোল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে অনুমোদন না দেওয়ায় ওই প্রকল্পের ২ হাজার কোটি টাকা পায়নি আসানসোল পুরসভা। রাজনৈতিক কারণেই ওই প্রকল্পের সুবিধা নিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র। জিতেন্দ্রর এই চিঠির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, বিজেপির কেউ হয়তো ওকে ভুল বোঝাচ্ছে। ও গ্যাস খেয়ে এসব বলছে। আগে ওঁর সাথে আমার বহুবার কথা হয়েছে, ওদের ওখানে গিয়েছি। তখন ও আমায় কিছু বলেনি। জল প্রকল্পের জন্য অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে আসানসোল পুরসভাকে, তা নিয়ে ও কেন কিছু বলছে না। এর পাল্টা আবার মুখ খুলেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বলেছেন, বিজেপির সঙ্গে হয়তো পুরমন্ত্রীর যোগাযোগ রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন ওনার নেত্রী তেমনই আমারও নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কারও কথা শুনব না। প্রয়োজনে আসানসোল পুরসভার পদ ছাড়তেও রাজি। উনি কী ইমরান খানের কথা শুনে চলছেন? আমার লেখা গোপন চিঠি এভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল কেন?

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ইটাহারের বিডিওর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ বিজেপির; পাল্টা অভিযোগ বিডিওর

উত্তর দিনাজপুর: ইটাহার ব্লকের বিডিও দিব্যেন্দু সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সরকারি কাজের আড়ালে ব্যক্তিগত খরচের বিল সরকারি খাতে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। পাশাপাশি নিরপেক্ষ অডিট ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিও জানিয়েছে দল।বিজেপির অভিযোগ, ২০২৪ সালে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার নির্মাণ ও সংস্কারের বিভিন্ন কাজের জন্য এক ঠিকাদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দলের দাবি, সরকারি টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে কিছু কাজ হলেও, তৃণমূল বিধায়ক মোশারফ হোসেনের কার্যালয়ের সৌন্দর্যায়ন এবং বিডিওর ব্যক্তিগত কিছু কাজ সরকারি নিয়ম না মেনে মৌখিক নির্দেশে করানো হয়।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, খাসির মাংস, বাড়ির রাঁধুনি ও গৃহকর্মীর বেতন, ট্রলিব্যাগ, এমনকি বাড়ির ছাদের দোলনার খরচও সরকারি বিল হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি অর্থের চরম অপব্যবহারের নজির হতে পারে বলে দাবি অভিযোগকারীদের।বুধবার বিকেলে বিজেপি নেতা নিমাই সিংহের নেতৃত্বে দলের এক প্রতিনিধি দল এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার হুমায়ুন রহমান ইটাহার বিডিও অফিসে গিয়ে বকেয়া বিল মেটানোর দাবি জানান। অভিযোগ, এ নিয়ে বিডিওর সঙ্গে বচসা শুরু হয়। বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে লাইভ সম্প্রচার শুরু করলে বিডিও আপত্তি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর ঠিকাদার হুমায়ুন রহমান ও বিজেপি নেতারা ইটাহার থানায় বিডিওর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।ঠিকাদার হুমায়ুন রহমানের দাবি, আমি লক্ষ লক্ষ টাকার কাজ করেছি। কিন্তু এখন বিডিও সমস্ত কাজ অস্বীকার করছেন এবং বিল মেটাতে অস্বীকার করছেন। তাই বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিডিও দিব্যেন্দু সরকার। তাঁর বক্তব্য, সরকারি কোনও কাজই মৌখিক নির্দেশে করা হয় না। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ভুয়ো বিল জমা দিয়ে বৈধ নথি ছাড়াই টাকা দাবি করছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাঁকে তিন বছরের জন্য ব্ল্যাকলিস্ট করার সুপারিশ করেছি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আর্থিক নিরীক্ষার দাবি উঠেছে। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত, ছাব্বিশ অগস্টের মধ্যে খালি করতে হবে ময়দান মার্কেট! এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পে নতুন নির্দেশ

এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত শেষ করতে বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। ময়দান মার্কেটের পাঁচশো আটাশ জন ব্যবসায়ীকে আগামী ছাব্বিশ অগস্টের মধ্যে দোকান খালি করে অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই নোটিস জারি করা হয়েছে (Dharmatala)।জোকা থেকে এসপ্ল্যানেড (Dharmatala) পর্যন্ত মেট্রো প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল এসপ্ল্যানেড স্টেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই স্টেশনটি তৈরি হবে বর্তমান ময়দান মার্কেটের নিচে। সেই কারণেই নির্মাণকাজ শুরু করার আগে পুরো বাজার এলাকা খালি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীদের সাময়িকভাবে কলকাতা পুলিশের মাউন্টেড প্যাডক মাঠে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।এই বাজার স্থানান্তর নিয়ে অতীতে একাধিকবার বিতর্ক ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ স্থানান্তরে সম্মতি জানিয়েছেন। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রশাসন নির্মাণকাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে (Dharmatala)।এদিকে জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পের কাজও দ্রুত এগোচ্ছে (Dharmatala)। ভিক্টোরিয়া স্টেশনের নির্মাণকাজ জোরকদমে চলছে। টানেল বোরিং যন্ত্র ইতিমধ্যেই ভিক্টোরিয়া পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। ফলে এসপ্ল্যানেড স্টেশনের কাজও দ্রুত শুরু করতে চাইছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজার খালি হলে প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ শুরু করা আরও সহজ হবে বলে প্রশাসনের আশা।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

আজ থেকেই শুরু ডিজিটাল জনগণনা! মাত্র দশ মিনিটে ঘরে বসেই করুন কাজ, জানুন পুরো নিয়ম

রাজ্যজুড়ে আজ থেকে শুরু হল ষোড়শ জনগণনার কাজ। এবার প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে স্বগণনার সুবিধাও। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবেন। শনিবার নবান্নে বসে নিজেই অনলাইনে স্বগণনা সম্পন্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সকলকে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের জনগণনার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থা এবং স্বগণনার সুযোগ। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জনকল্যাণ এবং উন্নত ভারতের লক্ষ্য পূরণে এই আধুনিক জনগণনাকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, জনগণনার কাজে রাজ্যজুড়ে তিন হাজার চারশো জন সুপারভাইজার এবং মোট চৌদ্দ হাজার তিনশো নিরানব্বই জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। তবে যাঁরা অনলাইনে আবেদন করবেন, তাঁরা বাড়ির তথ্যের পাশাপাশি পরিবারের তথ্যও নিজেরাই জমা দিতে পারবেন।এই জনগণনায় অনলাইনে মোট চৌত্রিশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। বাড়ি এবং পরিবারের বিভিন্ন তথ্য জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ পোর্টাল চালু করা হয়েছে। সেখানে খুব অল্প সময়েই ফর্ম পূরণ করা সম্ভব।স্বগণনার প্রথম পর্ব চলবে পনেরোই আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ষোলোই আগস্ট থেকে চৌদ্দই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে আগামী আটাশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরকার আশা করছে, নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে জনগণনার কাজ আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং নির্ভুল হবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

আজ থেকে আর আধার বা ভোটার কার্ড নয়! সরকারি বাসে ফ্রি যাতায়াতের জন্য বাধ্যতামূলক এই নতুন কার্ড

আজ থেকে রাজ্যে চালু হল মহিলাদের জন্য বিশেষ গোলাপি কার্ড। সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে এখন থেকে এই কার্ড দেখাতে হবে। গত পয়লা জুন থেকে রাজ্যের মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। এতদিন পর্যন্ত আধার কার্ড বা ভোটার পরিচয়পত্র দেখিয়ে সেই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছিল। তবে আজ থেকে সেই ব্যবস্থার পরিবর্তে গোলাপি কার্ডই হবে প্রধান পরিচয়পত্র।রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহর, শহরতলি এবং দূরপাল্লার সরকারি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সাধারণ সব বাসেই এই সুবিধা মিলবে। পরিবহণ দপ্তর জানিয়েছে, গোলাপি কার্ডের জন্য অনলাইন এবং অফলাইনদুই পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে।অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে গোলাপি কার্ডের আবেদন লিঙ্কে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নিজের নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নথিভুক্ত করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে আবেদন জমা দিলেই একটি রসিদ পাওয়া যাবে। সেই রসিদ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।আবেদনের জন্য প্রয়োজন হবে আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, সংশোধিত ভোটার তালিকায় নাম থাকার প্রমাণ, স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, এক কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর।যাঁরা অফলাইনে আবেদন করতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের বিডিও কার্যালয়ে এবং পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের সংশ্লিষ্ট পুরসভায় গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর আবেদনকারীর হাতে গোলাপি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।পরিবহণ দপ্তরের আশা, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে মহিলাদের বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ হবে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, শেষমেশ কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা! ভাইরাল ভিডিওতে কী বললেন তরুণী?

দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে আলোচনায় উঠে আসা এক তরুণীর একটি ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে তাঁকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা যাচ্ছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।পুলিশের দায়ের করা শূন্য নম্বর এফআইআরে ওই তরুণীর বয়স পঁচিশ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বয়স মাত্র পনেরো বছর। তিনি বলেন, কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কনট প্লেস থেকে যন্তর মন্তরের আন্দোলনে গিয়েছিলেন। সেখানে আশপাশের মানুষের বক্তব্যে প্রভাবিত হয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।ভিডিওতে ওই তরুণী বলেন, তিনি বড় ভুল করেছেন এবং তাঁর মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য। তিনি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান, এই ভুল আর কোনও দিন করবেন না। নিজের আচরণের জন্য তিনি লজ্জিত বলেও দাবি করেন।এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় কয়েকজন তাঁর এবং তাঁর মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানান, তরুণ প্রজন্মকে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, সঠিক পথও দেখানো উচিত।উল্লেখ্য, গত তেইশে জুলাইয়ের বিক্ষোভে আপত্তিকর স্লোগান ও মন্তব্যের অভিযোগে ঊনত্রিশে জুলাই নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে থানায় শূন্য নম্বর এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। ভাইরাল ভিডিও এবং তরুণীর দাবির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার অর্পিতা! হামিমের গোপন চক্রে নতুন বিস্ফোরক মোড়

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে অর্পিতা সরকার নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হামিমের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, হামিমের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে অর্পিতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। হোয়াটসঅ্যাপে তাঁদের একাধিক কথোপকথনের তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে দাবি। সেই সূত্র ধরেই অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোটা নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।প্রাথমিক তদন্তে দাবি করা হয়েছে, হামিম বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। সেই কাজে অর্পিতাকে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং সরকারি ভাবে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিমের পরিবারের আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর এলাকায়। পরে তার পরিবার হাওড়ার পিলখানায় বসবাস শুরু করে। কয়েক মাস আগে তারা বর্ধমানের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতে শুরু করে। সেখান থেকেই হামিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পর আবাসনের বাসিন্দারা জানান, তাঁরা কখনও বুঝতেই পারেননি তাঁদের পাশেই এমন একজন থাকতেন, যাকে নিয়ে এত বড় তদন্ত চলছে।এসটিএফ এখন হামিম, অর্পিতা এবং তাঁদের সম্ভাব্য যোগাযোগের পুরো নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাধিক বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয় বলে তদন্তকারী মহলের বক্তব্য।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

আজ থেকেই স্কুলে বড় বদল! পড়ুয়াদের পাতে নতুন খাবার, নিজেই রান্নাঘরে মুখ্যমন্ত্রী

আজ থেকে সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য নতুনভাবে মিড ডে মিল সরবরাহ শুরু হল। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী পাইলট প্রকল্পের আওতায় বড় রান্নাঘরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উদ্বোধনের আগে যজ্ঞে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি রান্নাঘর ঘুরে দেখেন এবং প্রতীকীভাবে খাবার তৈরির কাজেও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকেরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়ারাও উপস্থিত ছিল। পরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য বৈদ্যুতিক গাড়িরও উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আজ থেকেই সরকারি স্কুলে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই উদ্যোগের ফলে স্বাস্থ্যসম্মত, পরিচ্ছন্ন এবং উন্নত মানের খাবার পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছাবে। তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলমুখী করা এবং তাদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখেই বহু বছর আগে মিড ডে মিল প্রকল্প চালু হয়েছিল। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় সেই উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হচ্ছে।সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আধুনিক রান্নাঘরে তৈরি খাবার বৈদ্যুতিক গাড়িতে করে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতিটি খাবারের পাত্র সিল করা থাকবে যাতে খাবারের মান ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। স্কুলে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে সেই সিল খোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রায় আড়াই লক্ষ পড়ুয়ার কাছে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিড ডে মিলের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান।মিড ডে মিল নিয়ে সমালোচনার জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমালোচনা থাকবেই। তবে সরকারের লক্ষ্য পড়ুয়াদের উন্নত মানের খাবার পৌঁছে দেওয়া। তিনি আরও জানান, অন্যান্য রাজ্যের অভিজ্ঞতা খতিয়ে দেখে রাজ্যের স্কুলগুলিতেও সপ্তাহে দুই দিন ডিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মিড ডে মিল প্রকল্পে যুক্ত রাঁধুনিদের নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কোনও রাঁধুনি কাজ হারাবেন না। নতুন ব্যবস্থাতেও তাঁদের যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের মাসিক সম্মানী দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আগস্ট ০১, ২০২৬
কলকাতা

বিশ বছর পর কলকাতায় ফিরেই আবেগে ভাসলেন তসলিমা! বললেন, ‘মনে হচ্ছে নিজের দেশেই ফিরেছি’

প্রায় দুই দশক পর আবার কলকাতায় ফিরলেন বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দীর্ঘদিন পর এই শহরে পা রেখে নিজের আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারেননি তিনি। বিমানবন্দরে পৌঁছেই জানান, কলকাতায় ফিরে তাঁর মনে হচ্ছে যেন নিজের দেশেই ফিরে এসেছেন। বহু বছর পর এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য মহলেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।কলকাতায় এসে তসলিমা বলেন, তিনি বাংলা ভাষা এবং এই শহরের টানেই একসময় এখানে থাকতে এসেছিলেন। ইউরোপের স্বচ্ছন্দ জীবন ছেড়ে বাংলা ভাষার জন্যই কলকাতাকে বেছে নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি এবং এই শহরের মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।বাংলাদেশে ফিরতে না পারার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তসলিমা। তিনি বলেন, নিজের দেশে ফিরতে না পারার যন্ত্রণা কিছুটা কমে যায় যখন তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসেন। তাঁর অনুভূতি, বাংলার এই অংশে এলেই মনে হয় তিনি নিজের মাটির কাছাকাছি চলে এসেছেন। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে সেই অনুভূতিই আবার নতুন করে ফিরে এসেছে বলে জানান তিনি।দুই হাজার সাত সালে তাঁর লেখা একটি বইকে ঘিরে বিতর্কের পর কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তসলিমাকে। সেই সময়কার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁকে অস্থায়ীভাবে অন্যত্র যাওয়ার কথা বলা হলেও পরে আর কলকাতায় ফিরে আসার সুযোগ পাননি। সেই সময়ের নানা কঠিন অভিজ্ঞতা আজও তাঁর মনে দাগ কেটে রয়েছে। তবে অতীতের সেই কষ্টের স্মৃতি আর মনে করতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কলকাতায় ফিরে তসলিমার এই সফর ঘিরে সাহিত্যপ্রেমী এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal